দিনশেষে লড়াইটা সমানে সমান –

নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »

বাংলাদেশ বনাম জিম্বাবুয়ের একমাএ টেষ্ট। মিরপুরের শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে সফরকারীরা ব্যাটিং নেয়। শুরু থেকে তাদেরকে চাপের মধ্যে রাখে বাংলাদেশের পেসাররা।

সফরকারীদের প্রথম রান আসে অতিরিক্ত রান থেকে। তবে প্রথম বাউন্ডারী আসে সপ্তম ওভারে মাসভাউরের ব্যাট থেকে। তার পরের ওভারেই রাহীর করা বলে নাঈমের হাতে তালুবন্দী হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরেন দুই রান করা কেভিন কাসুজা।

তারপর মাসভাউরে আর ক্যাপ্টেন আরভিন বেশ দেখে শুনে চাপ সামনে খেলতে থাকেন স্বাগতিকদের বিপক্ষে।
দুই জন মিলে গড়েন শত রানের জুটি।
লাঞ্চ বিরতি থেকে ফিরে জিম্বাবুইয়ান ব্যাটসম্যানরা যেন আরো উজ্জ্বল।

বাংলাদেশী বোলারদের যেন কোনরকম চাপেই ফেলতে পারে নি সফরকারী ব্যাটসম্যানদের। কিছুতেই যেন সফরকারী দলের প্রতিরোধ ভাঙতে পারছিলো না স্বাগতিক পেসাররা।

অপ্রতিরোধ্য জিম্বাবুয়ে গড়ে তুলে শত রানের জুটি। স্বাগতিক বোলাররা যখন একে একে সবাই ব্যর্থ হচ্ছিলো ঠিক তখনি জ্বলে উঠলেন অফস্পিনার নাঈম হাসান।
পরপর দুই ওভারে তুলে নিলেন সফরকারী দলের গুরুত্বপূর্ণ দুটি উইকেট।

এতে স্বস্তি ফিরে আসে স্বাগতিক শিবিরে। কিছুটা স্বস্তি নিয়ে শেষ টাইগাররা শেষ করে তাদের দ্বিতীয় সেশন। ১৫০ রানে ৩ উইকেটের দল তখন জিম্বাবুয়ে। 

আজকের দিনে এখন পর্যন্ত শক্ত অবস্থানেই আছে জিম্বাবুয়ে।

চা বিরতি শেষে ব্যাটিংয়ে নেমে দেখেশুনে খেলতে থাকে সফরকারী দল জিম্বাবুয়ে। তারপর আবারো যেন শক্ত বিধ গড়ার পথে জিম্বাবুইয়ান ব্যাটসম্যানরা। রাজা-আরভিনদের ব্যাটে আবারো শক্ত অবস্থানে জিম্বাবুয়ে দল। থিতু হয়ে দলের রান বাড়াতে থাকেন এ দু জন।

কিছুতেই যেন এ দুজনকে থামতে পারছিলেন না স্বাগতিক বোলাররা। সোজা কথায় স্বাগতিক বোলারদের কোনরকম পাত্তা না দিয়েই দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছিলো জিম্বাবুয়ে। রাহি থেকে এবাদত, নাঈম থেকে তাইজুল সবাই একে হচ্ছিলো রাজা-আরভিনদের বিপক্ষে।

তবে আগের বারের মত এবারো সেই নাইমেই স্বস্তি মিললো টাইগারদের। সিকান্দার রাজাকে লিটনের হাতে তালুবন্দি করিয়ে ড্রেসিং রুমের পথ ধরান নাঈম।
তবে আবারো সফরকারীরা থিতু হয়ে বসলেন।
এবার আঘাত রাহির। প্রথম উইকেট নেওয়া রাহি মারুমাকে এলবিডব্লিউর ফাদেঁ ফেলে ড্রেসিং রুমের পথ দেখান।

সেইসাথে জিম্বাবুয়ে দলের আরেকটি শক্ত পার্টনারশিপের পতন ঘটান রাহি। স্বস্তি ফিরে পায় টাইগাররা। তবে হঠাৎ করেই যেন টাইগারদের গলার কাটা হিসেবে আবির্ভাব ঘটে জিম্বাবুইয়ান কাপ্তান আরভিন।  তুলে নেন দুর্দান্ত এক শতক। ২১৩ বল মোকাবিলা করে ১৩ টা চারের সাহায্যে করেন শতক। দলীয় ২২৫ রানের মাথায় টাইগারদের গলার কাঁটা ক্রেইগ আরভিনকে প্যাভিলিয়নে ফেরান সেই নাঈম হাসান। ব্যক্তিগত ১০৭ রান করে নাঈমের বলে বোল্ড আউট হন। তবে ক্রিজে আছেন চাকাভা ৯* ও তিরিপানো ০*।

১ম দিনের খেলা শেষে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ৯০ ওভারে – ২২৮/৬।

বাংলাদেশের হয়ে স্পিনার নাঈম হাসানের চারটি ও পেসার রাহীর দুইটি উইকেট শিকার করেন।

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »