শোয়েব আক্তার »
পাকিস্তানের সাথে সরাসরি ফ্লাইট চালু না থাকায় দুবাই হয়ে পাকিস্তান যেতে হয় বাংলাদেশের যাত্রীদের। খেলোয়াড়দের সফর ক্লান্তি দূর করতে তিন দফায় পাকিস্তান সিরিজের প্রথম দফায় পাকিস্তান সফরের জন্য বিশেষ বিমান ভাড়া করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।
এজন্য বাড়তি টাকা গুণতে হয় বিসিবি কে। ১৬২ আসনের বিমানে চড়ে মাত্র ৩০-৩৫ জন যাত্রী নিয়ে পাকিস্তানে যায় বিমানটি। সেখান থেকে আবার শূণ্য বিমান নিয়ে দেশে ফিরতে হয়। আবার সিরিজ শেষে খালি বিমান পাকিস্তান যায় এবং সেখান থেকে ক্রিকেটারদের নিয়ে দেশে ফিরে আসে।
গেল ২২ জানুয়ারি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ‘মেঘদূত’ উড়োজাহাজে করে পাকিস্তানে যায় বাংলাদেশ দল। একই বিমানে গতকাল দিবাগত রাতে দেশে ফিরেছেন মাহমুদউল্লাহরা। বিমানের ভাড়া বাবদ যাওয়া-আসায় বিসিবিকে গুনতে হয় প্রায় দেড় লাখ মার্কিন ডলার যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ কোটি ২৭ লাখ টাকা। ভাড়া করা উড়জাহাজে যাতায়াত করায় ক্রিকেটারদের ঝক্কি যেমন কমেছিল, সময়ও বেঁচেছিল অনেক।
তবে বাড়তি টাকা খরচ হওয়ায় সমালোচনার মুখে পড়েছিল বিসিবি। এবার দ্বিতীয় দফায় আগামী ৪ ফেব্রুয়ারী পাকিস্তান সফরের জন্য বিশেষ বিমান ভাড়া করবে না বিসিবি। কাতার এয়ার ওয়েজের নিয়মিত ফ্লাইট ধরেই পাকিস্তান যাবে মুমিনুল হকের বাংলাদেশ টেস্ট দল।
রাওয়ালপিন্ডিতে টেস্ট শুরু হবে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি। দোহায় যাত্রা বিরতি দিয়ে প্রায় ১২ ঘণ্টার বিমানভ্রমন শেষে বাংলাদেশ দল ইসলামাবাদে পৌঁছাবে স্থানীয় সময় সকাল ৮ টায়। এরপর ইসলামাবাদ থেকে রাওয়ালপিন্ডির দূরত্ব আরও আধ-ঘন্টার। টেস্ট শেষে বাংলাদেশ ঢাকায় রওনা দেবে ১২ ফেব্রুয়ারি। কাতার এয়ারওয়েজের ফ্লাইটে যাওয়া-আসার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান আকরাম খান, ‘ভাড়া করা বিমানে নয়, দল এবার পাকিস্তান যাবে কাতার এয়ারওয়েজের ফ্লাইটে।’
