দুর্জয় দাশ গুপ্ত »
টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে আগের ম্যাচের মত শুরু থেকেই মারমুখী ভঙ্গিতে খেলতে থাকেন খুলনার দুই ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্ত ও মেহেদী মিরাজ। কিন্তু ইরফানের এক ওভারে মিরাজ ও রুশো ফিরে গেলে চাপে পড়ে খুলনা।
১৫ রানে দুই উইকেট হারানো খুলনাকে ম্যাচে ফেরান আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান নাজমুল হোসেন শান্ত। শামসুর রহমানকে দারুণ এক পার্টনারশিপ গড়লে বড় সংগ্রহের স্বপ্ন দেখতে শুরু করে খুলনা। দলীয় ৯৩ রানে ভাঙে তাদের পার্টনারশিপ। শামসুর রহমান ফিরে গেলে দ্রুত গতিতে আর রান তুলতে পারে নি খুলনা৷ অধিনায়ক মুশফিকুর রহীম এদিন সুবিধা করতে পারেননি। ব্যথা পেয়ে মাঠ ছাড়লে নাজিবউল্লাহ ও শান্ত রাসেলের করা শেষ ওভারে নেন ২২ রান৷ আর এতেই নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৫৮ রানের ভালো সংগ্রহ পায় খুলনা টাইগার্স। গত ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান শান্ত এ ম্যাচেই ছিলেন ব্যাট হাতে উজ্জ্বল। ৫৭ বলে ৭ চার ও ৪ ছক্কায় অপরাজিত ৭৮ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি।
সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ
খুলনা টাইগার্সঃ ১৫৮/৩ ২০ ওভার (শান্ত ৭৮*, শামসুর ৩২, ইরফান ২/১৩)।
