শোয়েব আক্তার »
ডেউইড মালান ও সৌম্য সরকারের জোড়া অর্ধ-শতকে সিলেট থান্ডারের বিপক্ষে ৫ উইকেটের সহজ জয় তুলে নিয়ে নিয়েছে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স। ফলে প্লে অফের আশা এখনও বাঁচিয়ে রাখলো ডেউইড মালানের দল।
১৪২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে নাঈম হাসানের ঘূর্ণিতে শুরুটা ভালো হয় নি কুমিল্লার। দ্বিতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলেই ব্যক্তিগত ১ রানে ওপেনার ফারদিন হাসান কে এলবি ডব্লিউ করেন নাঈম হাসান।
নিজের দ্বিতীয় ও ইনিংসের চতুর্থ ওভারের শেষ বলে উপুল থারাঙ্গা কে বোল্ড করে প্যাভিলিয়নের পথ ধরান নাঈম। অষ্টম ওভারের পঞ্চম বলে মাহিদুল হাসান ও নাঈমের শিকার হলে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে কুমিল্লা।
তবে উইকেটের এক প্রান্ত আগলে রেখে দূর্দান্ত অর্ধ শতক করে দলকে জয়ের পথ দেখিয়ে দেন অধিনায়ক ডেউইড মালান। ব্যক্তিগত ৫৮ রানে ইবাদত হোসেনের বলে আউট হয়ে গেলেও সৌম্য সরকারের ৩০ বলে ৫৩ রানের ঝড়ো ইনিংসে ৫ বল ও ৫ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স।
সিলেট থান্ডারের পক্ষে নাঈম হাসান ৪ ওভার বল করে ২১ রানে ৩ টি ও ইবাদত হোসেন ৪ ওভার বল করে ২৬ রানে ১ টি উইকেট লাভ করেন।
এর আগে মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে বঙ্গবন্ধু বিপিএলে ৩৫তম ম্যাচে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে আব্দুল মজিদের ৪৫ ও জনসন চালর্সের ২৬ রানের সুবাদে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৪১ রান সংগ্রহ করেছে সিলেট থান্ডার।
শুরু থেকেই কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের বোলার’রা নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের মাধ্যমে চেপে ধরেন সিলেট থান্ডারের ব্যাটসম্যানদের।
আল-আমিন হোসেনের করা ৬ষ্ঠ ওভারের দ্বিতীয় বলে ব্যক্তিগত ২২ রানে আবু হায়দার রনির তালুবন্দি হোন আন্দ্রে ফ্লেচার। দশম ওভারের চতুর্থ বলে আবারও সিলেট দূর্গে আঘাত হানেন আল আমিন। এবার তাঁর শিকার ২৬ রান করা আরেক ক্যরিবিয় জনসন চার্লস।
তৃতীয় উইকেট জুটিতে আরেক উদ্ভোধনী ব্যাটসম্যান আব্দুল মজিদ ও মোহাম্মদ মিথুন তৃতীয় উইকেট জুটিতে ৪৪ রানের পার্টনারশিপ গড়ে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। মুজিবুর রহমানের বলে মাহিদুল ইসলামের হাতে ক্যাচ দিয়ে মোহম্মদ মিথুন ব্যক্তিগত ১৮ রানে সাজঘরে ফিরে গেলে এ জুটি ভাঙ্গে।
শেষ ওভারের প্রথম দুই বলে ডেভিড উইস জীবন মেন্ডিস ও ৪৫ রানে অপরাজিত থাকা সেট ব্যাটসম্যান আব্দুল মজিদ কে আউট করে ফেললে বড় সংগ্রহের পথ রুদ্ধ হয়ে যায় সিলেট থান্ডারের।
কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের পক্ষে ডেভিড উইস ও আল আমিন হোসেন ৪ ওভার বল করে ৩০ রানে ২ টি, ডেভিড উইস ৪ ওভার বল করে ৩১ রানে ২টি উইকেট লাভ করেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
সিলেট থান্ডার:১৪১/৫(২০)
আব্দুল মজিদ-৪৫(৪০), জনসন চার্লস-২৬(১৫)
আল আমিন-৩০/২(৪), ডেভিড উইস-৩১/২(৪)
কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স:১৪২/৫(১৯.১)
ডেউইড মালান-৫৮(৪৯), সৌম্য সরকার-৫৩(৩০)
নাঈম হাসান-২১/৩(৪), ইবাদত হোসেন-২৬/১(৪)
ফলাফল: কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স ৫ উইকেটে জয়ী।
