নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »
পাকিস্তান জাতীয় দলের প্রধান কোচ ও প্রধান নির্বাচকের জন্য নিয়োগ পেয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক মিসবাহ উল হক। নিজের দায়িত্ব বুঝে নিয়েই কাজ শুরু করেছেন মিসবাহ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে আরো সমৃদ্ধ করে তুলতে ক্রিকেটারদের ফিটনেসে মনোযোগ দিয়েছেন তিনি। সরফরাজদের তৈলাক্ত ও মিষ্টি জাতীয় খাবার নিষিদ্ধ করেছেন।
ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে বারবার পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের ফিটনেস নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পাকিস্তানের সাবেক অনেক ক্রিকেটার সমালোচনা করেছেন প্রকাশ্যে। তাই এবার কোচ ও নির্বাচক হিসেবে শুরুতেই এই দিকটায় নজর দিলেন মিসবাহ।
মিসবাহ নিজে ক্রিকেট খেলেছেন ৪৩ বছর বয়স পর্যন্ত। এখনো তার ফিটনেস অন্য অনেকের চাইতেই ভালো। আর এই জন্যই অন্য সবার চেয়ে ফিটনেসের গুরুত্ব তার কাছে বেশি। পাকিস্তানে চলমান কায়েদ এ আজম ট্রফিতে প্রতিটা ম্যাচের আগেই ক্রিকেটারদের দিতে হচ্ছে ফিটনেস পরীক্ষা। ক্রিকেটারদের খাদ্যাভ্যাসে আসছে আমূল পরিবর্তন। পাকিস্তানে খেয়াল করা যায় আন্তর্জাতিক ম্যাচের বাইরে থাকলেই ক্রিকেটাররা স্বাধীন মত খাবার খেতে পারেন কিন্তু এবার আর এমনটা হতে দিচ্ছেন না প্রধান কোচ।
ঘরোয়া ক্রিকেটে ক্রিকেটারদের বেতন বাড়ানো হচ্ছে অনেক। এর সাথে আরো বেশ কিছু বিষয়ে আসছে পরিবর্তন। যদিও শ্রীলঙ্কা সিরিজের ক্যাম্প শুরু হবে ১৮ তারিখ থেকে তবে এখনই ক্রিকেটারদের নিয়ে ঘরোয়া লীগে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন কোচ মিসবাহ উল হক। ফিটনেসে জোর দিতে ক্যাম্পে যোগ না দিতে বলা হয়েছে সরফরাজ সহ আরো ৬ জন ক্রিকেটারকে।
বিরিয়ানি, মিষ্টি বাদ গেলেও পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা পাচ্ছেন মাছ, বারবিকিউ, পাস্তা ও প্রচুর পরিমান ফল-মূল। মূলত ফিটনেসের জন্যই এমন সিদ্বান্ত নিয়েছেন পাকিস্তান কোচ।
