নিউজ ডেস্ক »
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে আট উইকেটে ১৩৬ রান করেছে দুর্দান্ত ঢাকা। লাসিথ ক্রুসপুল্লের ৪৬ রানের দারুণ ইনিংসে এই সংগ্রহ করেছে ঢাকা। চট্টগ্রামের হয়ে নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেছেন প্রায় সকলেই।
টস হেরে শুরুটা মনমতো করতে পারেনি ঢাকা। দ্বিতীয় ওভারেই মাঠ ছাড়তে হয় দলটির লঙ্কান রিক্রুট দানুশকা গুনাথিলাকাকে। আল আমিন হোসেনের বলে মুখের থুতনিতে ব্যথা পেয়ে ফিজিওর চিকিৎসা নিয়ে মাঠ ছাড়েন গুনাথিলাকা। একটু পর গুনাথিলাকার কনকাশন সাব হিসেবে লাসিথ ক্রুসপুল্লের নাম প্রকাশ করে ঢাকা।
উইকেটে নেমে সুবিধা করতে পারেননি সাইফ হাসান। ৯ বলে ৯ রান করে আল আমিনের শিকার হয়েই ফিরে যান তিনি। ড্রাইভ করতে গিয়ে কভারে নাজিবুল্লাহ জাদরানের তালুবন্দি হন তিনি। পঞ্চম ওভারে ফিরে যান মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতও।শুভাগত হোমকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ডিপ ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে নিহাদুজ্জামানের তালুবন্দি হন মোসাদ্দেক। ঢাকার অধিনায়কের ব্যাটে কোনো রান আসেনি।
ইনিংসের অষ্টম ওভারে আরও দুই উইকেট হারায় ঢাকা। নিহাদুজ্জামানকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে কভার পয়েন্টে তানজিদ হাসানের হাতে ক্যাচ তুলে দেন নাইম শেখ। ১১ বলে ৮ রান আসে ঢাকার ওপেনারের ব্যাটে। একই ওভারের পঞ্চম বলে ফিরে যান অ্যালেক্স রস। দুটি চারে এই অস্ট্রেলিয়ানের ব্যাটে আসে ৯ বলে ১১ রান।
৩৩ রানে চার উইকেট হারানোর পর ক্রুসপুল্লে এবং ইরফান শক্কুরের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ায় ঢাকা। এই দুজন দলের রানের খাতায় যোগ করেন ৭৩ রান। তবে হাফ সেঞ্চুরি করতে পারেননি ক্রুসপুল্লে। ৩১ বলে তিনটি চার ও দুটি ছক্কায় ৪৬ রান করে কার্টিস ক্যাম্ফারের শিকার হয়ে বিদায় নেন তিনি।
১৮তম ওভারে ফিরে যান ইরফানও। ২৬ বলে ২৭ রান করে বিলাল খানের বলে বোল্ড হন তিনি। শেষদিকে তাসকিন আহমেদের ৯ বলে ১৫ রানের ইনিংসে কিছুটা লড়াই করার মতো পুঁজি পায় ঢাকা। চট্টগ্রামের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন আল আমিন এবং বিলাল। একটি করে উইকেট নেন শুভাগত, নিহাদুজ্জামান এবং ক্যাম্ফার।
