নেদারল্যান্ডসকে ৮১ রানে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু পাকিস্তানের

দুর্জয় দাশ গুপ্ত »

অবশ্যই বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন নিয়ে ভারতে এসেছে পাকিস্তান। গোটা পাকিস্তানি সমর্থকদের চোখ এখন বাবর আজম-রিজওয়ানদের দিকে। বারবার খুব কাছে গিয়েও ফেরত আসতে হচ্ছে শাহীন আফ্রিদিদের। দলে রয়েছে ইনজুরি সমস্যা, ওপেনারদের অফ ফর্ম সব বিবেচনায় অনেকেই পাকিস্তানকে ফাইনালে দেখছেন না। তবুও দলটা পাকিস্তান বলেই আপনাকে সবসময় টিভি সেটের সামনে বসতে হবে, কারণ বিশ্ব ক্রিকেটে তাদের চেয়ে আনপ্রেডিক্টেবল দল একটাও নেই।

রাজীব গান্ধী স্টেডিয়ামে নিজেদের প্রথম ম্যাচটা হেসেখেলেই জিতলো বাবর আজমের দল। তবে সবচেয়ে চিন্তার যে কারণ সে ব্যাটিং লাইনআপ যে ঠিকঠাক জ্বলে উঠতে পারছে না। ব্যাটাররা উইকেটে সেট হয়েই উইকেট বিলিয়ে দিয়ে আসছেন। পার্টনারশিপগুলো বড় হচ্ছে না। এসব জায়গায় পাকি অধিনায়কের চিন্তাটা টুর্নামেন্ট যত সামনে গড়াবে ততোই বাড়বে।

ডাচদের বিপক্ষে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ২৮৬ রানে থামে পাকিস্তানের ইনিংস। টুর্নামেন্টের সবচেয়ে দুর্বল দলটার বিপক্ষেও ৬ বল বাকি থাকতে অলআউট বাবর আজমের দল। বল হাতে পাকিস্তান গেল কয়েক বছর ধরেই দাপট দেখাচ্ছে। ইনজুরিতে বিশ্বকাপ মিস করা নাসিম শাহের জায়গায় এতদিন পর দল ফিরে হাসান আলী নিজের কাজটা ঠিকঠাকই করতে পেরেছেন। যেমন উইকেট নিয়েছেন তেমনি করেছেন ইকোনোমিক্যাল বোলিংও। তবে সামনের ম্যাচগুলোতে হাসান আলীর জন্যও রয়েছে বড় পরীক্ষা।

২৮৭ জবাবে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের মাঝামাঝি পর্যন্ত সঠিক পথেই ছিলো নেদারল্যান্ডস। কিন্তু এরপরই পাকিস্তানের পেসারদের গতির কাছে তাসের ঘরের মত ভেঙে পড়েছে ডাচদের ব্যাটিং লাইনআপ। ৪১ ওভারে ২০৫ রানে অলআউট হয়েছে তারা। এর ফলে ৮১ রানের জয় পাকিস্তানের। পাকিস্তানের হয়ে যারা বল করেছেন সবাই উইকেট পেয়েছেন। শাহীন আফ্রিদি, হারিস রউফ আর হাসান আলী, তিন পেসার মিলে শিকার করেছেন ৬ উইকেট। এরমধ্যে হারিস রউফ একাই নিয়েছেন ৩টি।

ডাচ অলরাউন্ডার বাস ডে লেডে বল হাতে চার উইকেট শিকার করার পর ব্যাট হাতেও দলীয় সর্বোচ্চ ৬৭ রান করেছেন। তবে সেটা কেবল হারের ব্যবধানটা কমিয়েছে। বাকি ব্যাটারদের ব্যর্থতায় দারুণ অলরাউন্ডিং পারফরম্যান্স করেও তিনি রয়ে গেলেন পরাজিত দলে।

 

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »