আবারো বাংলাদেশি সমর্থকদের জার্সি উপহার দিচ্ছেন মোহাম্মদ শাহীন

নিউজ ডেস্ক »

বাংলাদেশ ক্রিকেটের দেশসেরা আইকনিক ফ্যান মোহাম্মদ শাহীন। টাইগার ক্রিকেট ও লাল সবুজের পতাকাকে মনের গভীরে লালন করেন তিনি। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের একনিষ্ঠ একজন সমর্থক মোহাম্মাদ শাহীন। দেশ কিংবা দেশের বাইরে, যেখানেই বাংলাদেশের খেলা থাকুক না কেন গ্যালারীতে তিনি থাকবেন’ই, এতে কোন সন্দেহ নেই। মাথায় পরচুলা আর বাহারি রংয়ের টুপি পড়ে থাকেন বলে গ্যালারীতে তাকে আলাদা করেই সবার চোখে পড়ে। সারাবিশ্ব দাপিয়ে বেড়ান শুধুমাত্র বাংলাদেশ ক্রিকেটের প্রতি তার অকুণ্ঠ ভালবাসা ও দুর্বলতা থেকে ।

আইসিসির সীকৃত টাইগার ক্রিকেটের এই এলিট ফ্যান খুব ভাল করেই জানেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের প্রতি ক্রিকেট পাগলদের আবেগ ভালবাসাটা ঠিক কতটা গভীর। লাল-সবুজের জার্সির প্রতি শাহীনের আলাদা একটা বাড়তি দুর্বলতা রয়েছে। মোটামুটি টাইগারদের সবকটি আইসিসি ইভেন্ট ও সিরিজের জার্সি গায়ে জড়িয়েছেন তিনি, রেখেছেন নিজের সংগ্রহে। লাল-সবুজের জার্সির প্রতি ক্রিকেট প্রেমীদের আবেগের কথাও শাহীনের অজানা নয়। তাই অভিনব উদ্যোগে আবারও ক্রিকেট ফ্যানদের হাতে গুটি কয়েক জার্সি পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন তিনি।

সম্প্রতি নিজের ফেসবুক একাউন্ট হতে একটি পোস্টের মাধ্যমে এক অভিনব চিন্তার কথা জানান তিনি। শাহীন জানান, নিজের ফেসবুকের বন্ধু তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে ১০ জন ক্রিকেট ফ্যানকে বাংলাদেশ দলের চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জার্সি উপহার দিবেন তিনি।

জার্সি পেতে আগ্রহী বিপুল সংখ্যক ক্রিকেট ফ্যানরা কমেন্ট বক্সে নিজেদের ইচ্ছের কথা ইতিমধ্যে জানান দিয়েছেন। শাহীনের ফেসবুক পোস্টের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখা গেল, ইতিমধ্যে আঁট শতাধিক ব্যক্তি জার্সি পেতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। আজ ৩০ সেপ্টেম্বর অব্দি জার্সি প্রত্যাশীরা কমেন্ট বক্সে জার্সির জন্য আগ্রহ দেখাতে পারবেন। লটারির মাধ্যমে বিজয়ীদের চিহ্নিত করে সবার হাতে জার্সি পৌঁছে দিবেন বলে নিউজক্রিকেটকে নিশ্চিত করেছেন তিনি। জানা যায়, ৩০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬ টায় লটারি অনুষ্ঠিত হবে যেটা মোহাম্মদ শাহীনের ব্যক্তিগত ফেসবুক একাউন্টে সরাসরি দেখা যাবে।

ব্যতিক্রমধর্মী এই উদ্যেগের ব্যাপারে জানতে চাইলে নিউজ ক্রিকেটের সঙ্গে নিজের ক্রিকেটীয় আবেগ ও এমন অভিনব পরিকল্পনার ব্যাপারে খোলামেলা কথা বলেন শাহীন। তিনি বলেন, ‘আমি সব সময় চাই আরো বেশী জনপ্রিয় হোক ক্রিকেট সবার মাঝে। আমি ক্রিকেটের জন্য যখনই খুবই ছোট আকারে কিছু করতে পারি আমার মনে হয় তখন আমি একটা ম্যাসেজ দিতে পারছি। দেশের মানুষের আগ্রহ বাড়াতে পারছি। কারণ দিন শেষে মানুষের জন্য কিছু করতে পেরে আমার নিজেরও ভালো লাগছে। সত্যি কথা বলতে আমাদের বিনোদনের বড়ই অভাব। অনেকেই জীবনেই নানা সমস্যা আছে। কিন্তু ক্রিকেটের মাধ্যমে আমরা সকল দুঃখ, কষ্ট ভুলে এক হতে পারি, দেশের জন্য চিৎকার করে গলা ফাটাতে পারি। প্রতিটা আইসিসি ইভেন্টেই আমি এমনভাবে কিছু গার্সি গিভওয়ে দেই, এবারের বিশ্বকাপেও দিচ্ছি।’

 

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »