ওয়ানডেতে দেশের দ্বিতীয় সেরা অধিনায়ক তামিম

দুর্জয় দাশ গুপ্ত »

ক্রিকেটের তিনটা ফরম্যাটের মধ্যে একদিনের ক্রিকেটটাই বাংলাদেশ ভালোভাবে খেলতে পারে এখন পর্যন্ত। এই ফরম্যাটে টাইগারদের সাফল্যের পাল্লাটাও ভারী। এর বড় প্রমাণ হতে পারে ওয়ানডে সুপার লীগ। বিশ্বের সব বাঘা বাঘা দল থাকলেও বাংলাদেশ পয়েন্ট টেবিলের ৩ নম্বর দল হিসেবে বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে। আর এই বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তামিম ইকবাল খান।

তামিমের স্বপ্ন ছিলো বিশ্বকাপে নিজের দেশকে নেতৃত্ব দিবেন। তবে সে স্বপ্নটা আর পূরণ হলো না বেরসিক ইনজুরির কারণে। যার কারণে সেচ্ছায় অধিনায়কত্বের ইতি টানতে হয়েছে দেশ সেরা এই ওপেনারকে।

যদিও বা বিশ্বকাপে দলকে নেতৃত্ব দিতে পারবেন না তবে অধিনায়ক তামিমের পরিসংখ্যান বলছে তিনি ওয়ানডেতে দেশের দ্বিতীয় সেরা কাপ্তান। তাঁর অধীনে ৩৭টা একদিনের ম্যাচ খেলেছে টাইগাররা। এর মধ্যে জয় ২১টি ম্যাচে আর দুটো ম্যাচ বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয়েছে। অধিনায়ক তামিমের জয়ের হার ৫৬.৭।

অধিনায়ক হিসেবে তামিমের চেয়ে এগিয়ে আছেন কেবল মাশরাফি বিন মর্তুজা। তাঁর নেতৃত্ব ৮৮ ম্যাচ খেলে টাইগারদের জয় ৫০ ম্যাচে। তামিমের চেয়ে জয়ের পাল্লাটা কেবল দশমিক শূন্য ৬ বেশি।

সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি নেতৃত্ব ছেড়ে দিলে ২০২১ সালে এসে পূর্ণ মেয়াদে ওয়ানডে ফরম্যাটের অধিনায়কত্ব আসে তামিম ইকবালের কাঁধে। অধিনায়ক হিসেবে নিজের অভিষেক সিরিজেই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করে বাজিমাত করেন তামিম। তারপর একে একে শ্রীলঙ্কা, জিম্বাবুয়ে ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জিতে তাঁর দল। সবকিছু ছাপিয়ে অধিনায়ক তামিমের সবচেয়ে বড় সাফল্য দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে গিয়ে ২-১ এ সিরিজ জয়। যেখানে ভারত, শ্রীলঙ্কা, অস্ট্রেলিয়ার মত দল দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে গেল কয়েক বছরে সিরিজ জিততে পারেনি সেখানে ব্যতিক্রম ছিলো বাংলাদেশ। আর এই বাংলাদেশের নেতৃত্বে ছিলেন তামিম ইকবাল। অধিনায়ক হিসেবে বিশ্বকাপ খেলতে না পারার আক্ষেপ থাকলেও অধিনায়ক হিসেবে তামিম অবশ্যই লেটার মার্ক পাবেন।

 

 

 

 

 

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »