নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »
রশিদ যখন বাংলাদেশের নেটে নজর রাখছিলেন, সেখানে টানা বোলিংয়ে ব্যস্ত দুই ভারতীয় রিস্ট স্পিনার। রশিদকে সামলানোর প্রস্তুতির জন্যই এই দুজন রিস্ট স্পিনারকে নিয়ে এসেছেন নতুন নিয়োগ পাওয়া টেকনিক্যাল কনসালটেন্ট।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের আগে এটা যে কোনো দলেরই বাস্তবতা। প্রস্তুতিতে সবচেয়ে বেশি মনোযোগ থাকে রশিদকে সামলানো নিয়েই।
সবচেয়ে বড় হুমকি যে তিনিই! বাংলাদেশের জন্য সেই হুমকির মাত্রা একটু বেশিই। ভালো মানের লেগ স্পিনে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা বরাবরই নড়বড়ে। আর রশিদ তো বাংলাদেশের বিপক্ষে লড়াইয়ে ব্যবধান গড়ে দিয়েছেন বেশ কবারই। কখনও ব্যাট হাতে, কখনও বোলিংয়ে।
তিন সংস্করণ মিলিয়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে ১৭ ম্যাচে রশিদের উইকেট ৪০টি। গড় ১৪.৭৭, স্ট্রাইক রেট ২৩.৪।
একমাত্র টেস্টে নিয়েছেন ১১ উইকেট। ৯ ওয়ানডেতে পেয়েছেন ১৫ উইকেট। আর সাত টি-টোয়েন্টিতে তার শিকার ১৪ উইকেট।
টি-টোয়েন্টিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে আট ম্যাচে বাংলাদেশের জয় কেবল তিনটি। দলটির অনেক খেলোয়াড়ই বিশ্বজুড়ে খেলে বেড়ান ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি-টোয়েন্টি লিগে। রশিদের নেতৃত্বে দুর্দান্ত একটি বোলিং আক্রমণ আছে আফগানদের। আছে বিস্ফোরক সব ব্যাটসম্যান। এই সংস্করণে বাংলাদেশের অনেক খেলোয়াড়ই নিজেদের চেয়ে এগিয়ে রাখেন আফগানিস্তানকে।
দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শনিবার শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে আফগানরা। এই ম্যাচ দিয়েই শুরু এবারের এশিয়া কাপ। মঙ্গলবার রশিদরা খেলবেন বাংলাদেশের বিপক্ষে।
দুই ম্যাচেই আফগানরা জিতে গেলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। রশিদও নিজেদের সামর্থ্যের কথা জানেন অবশ্যই। তবে জয়-পরাজয়ের প্রশ্নে কৌশলি জবাব দিলেন এই তারকা স্পিনার।
“বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের ম্যাচে যে-ই জিতুক, জয় হবে আসলে ক্রিকেটের।”
আইসিসি ক্রিকেট একাডেমি মাঠে বৃহস্পতিবার রাতে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের অনুশীলন দেখছিলেন কয়েকজন ভক্ত। এক পর্যায়ে তাদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে ছবিও তোলেন রশিদ।
এই সময়ে উঠে লেগ স্পিনার প্রসঙ্গ। বাংলাদেশ দলের নেটে তিন লেগ স্পিনার থাকা নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। তবে তাদের দেশে যে লিগ স্পিনারের অভাব নেই, তা বলে দিলেন গর্ব নিয়েই।
“আফগানিস্তানে লেগ স্পিনাররা এমনিতেই উঠে আসে। ওরা সব জন্মগত প্রতিভা। বাংলাদেশের যেমন অসংখ্য বাঁহাতি স্পিনার আছে, আমাদেরও তেমনই লেগ স্পিনার আছে।”
