বিসিবির প্রস্তাবকে সালাউদ্দিনের না!

নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »

দেশী ক্রিকেটারদের আস্থার কেন্দ্রবিন্দু তিনি। স্কিল,টেকনিক কিংবা ক্রিকেটারদের অন্য যেকোনো সমস্যা, যাই হোক না কেন! সবার গন্তব্য এক জায়গায়, সব সমস্যার একটাই সমাধান “মোহাম্মদ সালাউদ্দিন”।যেকোন সমস্যা নিয়ে ক্রিকেটাররা ছুটে যান আস্থা বিশ্বাস ও ভরসার শেষ আশ্রয়স্থল গুরু সালাউদ্দিনের পাঠশালায়।

ক্রিকেটারদের কাছে মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের এমন গ্রহনযোগ্যতা কারোই অজানা নয়। আর তাই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বিধ্বস্ত হওয়া এই দলটিকে মেরামত করতে দেশসেরা এই কোচের সান্নিধ্য চেয়েছিল বিসিবি। মুলত চলতি টি-টুয়ান্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের এমন ভরাডুবি, ক্রিকেটার ও ভক্ত সমর্থকদের পাশাপাশি নাড়িয়ে দিয়েছে ক্রিকেট বোর্ডকেও। বিশ্বকাপে টাইগারদের এমন যাচ্ছেতাই পারফরম্যান্সের পর নড়েচড়ে বসেছে বিসিবি। অনেক কাটাছেঁড়া করে কোচিং প্যানেলেও পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে বিসিবি।

ক্রিকেটারদের কাছে সালাউদ্দিনের গ্রহনযোগ্যতার কারণে জাতীয় দলের সহকারী কোচের দায়িত্ব নিতে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল দেশসেরা এই কোচকে। কিন্তু শেষ অব্দি বিসিবির দেওয়া এই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন তিনি। মুলত পেশাদারিত্বের খাতিরেই এই মুহুর্তে বিসিবির এই প্রস্তাবকে না করে দিয়েছেন সালাউদ্দিন।

সাকিবের “মস্কো সাকিব ক্রিকেট একাডেমির” প্রায় বেশিরভাগ পরিকল্পনাই সালাউদ্দিনকে ঘিরে। গুরুর উপর আস্থা রেখেই একাডেমি থেকে বিশ্বমানের খেলোয়াড় তৈরির পরিকল্পনা সাজিয়েছেন সাকিব। তাছাড়া মস্কো ক্রিকেট একাডেমির সাথে লম্বা সময়ের জন্য বিশেষ চুক্তিও রয়েছে সালাউদ্দিনের।
আর তাই সার্বিক দিক বিবেচনা করে আপাতত মস্কো থেকেই প্রতিভাবান ক্রিকেটারদের সুপ্ত প্রতিভাকে জাগ্রত করে, আগামীর সাকিব-তামিম তৈরিতে মননিবেশ করতে চান তিনি।

বিসিবির এমন প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ার প্রসঙ্গে গণমাধ্যমে সালাউদ্দিন জানানঃ বিসিবি আমাকে এমন একটি প্রস্তাব দেওয়ায় আমি সম্মানিত বোধ করেছি এবং ধন্যবাদ জানাই বোর্ডকে।তবে এই মুহুর্তে পেশাদারিত্বের কারনে প্রস্তাবটি গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে না আমার পক্ষে। তবে ক্রিকেটারদের জন্য আমার দরজা সবসময় খোলা, যেকোনো ক্রিকেটার সাহায্যের জন্য এলে আমি তাদের জন্য সর্বদা প্রস্তুত।

মুলত এই মুহুর্তে মস্কো ক্রিকেট একাডেমির ৩০০ এর বেশি ছাত্রের পাশাপাশি, ক্লাব ক্রিকেটেও কাজ করার কমিটমেন্ট রয়েছে তাঁর। আর একজন পেশাদার কোচ হয়ে হুট করে এইভাবে একটি জায়গা ছেড়ে চলে আসাটা ঠিক মনে করছেন না তিনি। সবমিলিয়ে তাই পেশাদারিত্ব মনোভাব থেকেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন দেশসেরা এই কোচ। তবে সালাউদ্দিন জানিয়েছেন, যদি ভবিষ্যতে আবারো  সুযোগ হয়, আর পরিস্থিতি যদি অনুকূলে থাকে তবে তিনি আবারো ভেবে দেখবেন।

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »