নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে শ্রীলঙ্কাকে সঙ্গে নিয়েই বিদায় নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। তাই গ্রুপ ১-এ সেমিফাইনালে যাওয়ার লড়াইয়ে থাকল চার দল। যার মধ্যে বর্তমান চ্যামিপয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজের অবস্থান খুবই নাজুক। সেমিফাইনালে উঠতে হলে বাকি দুই ম্যাচে শুধু জিতলেই হবে না, তাকিয়ে থাকতে হবে অন্যদের হারের দিকে। তাই আশা বাঁচিয়ে রাখতে আজ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয় ভিন্ন কিছু ভাবছে না কাইরন পোলার্ডের দল।
তবে জিততে হলে ব্যাটসম্যানদের দানবীয় রূপ ধারণ করতে হবে। কেননা এখানে রানরেটের ব্যাপার আছে। সে হিসেবে এখন পর্যন্ত টুর্নামেন্টে যা দেখিয়ে এসেছে ক্যারিবিয়ান ব্যাটসম্যানরা তা নিয়ে আশা করা বেশ মুশকিল। ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও বাংলাদেশের বিপক্ষে খুবই করুণ অবস্থা ছিল। তবে বোলারদের কারণে বাংলাদেশের বিপক্ষে মিলে কাঙ্ক্ষিত জয়। তবে এবার এগিয়ে আসতে হবে ব্যাটসম্যানদেরই।
তাদের পরীক্ষা নেয়ার জন্য প্রস্তুত আছেন দুই লঙ্কান সিপনার ভানিন্দু হাসারাঙ্গা ও মাহিশ থিকশানা। পুরো টুর্নামেন্টে দক্ষতার ছাপ রেখেছেন তারা।শ্রীলঙ্কাকে সেমিফাইনালে না তুলতে পারলেও নিজেদের দায়িত্বে ছিলেন উজ্জ্বল। সে তুলনায় পেসাররা ছিলেন মলিন। যে কারণে ইংল্যান্ড দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে লড়াই করেও শেষ পর্যন্ত হেরে যায় লঙ্কানরা। আজ জিতলে গ্রুপে তলানির দল হিসেবে বিশ্বকাপ শেষ করতে হবে না তাদের। কেননা বাংলাদেশের বিপক্ষে জিতে ইতিমধ্যেই দুই পয়েন্ট ভাগিয়ে নিয়েছে দাসুন শানাকার দল। হারানোর কিছু না থাকায় চাপমুক্ত থেকেই খেলতে নামবে তারা।
এর আগে সংবাদ সম্মেলনে লঙ্কান হেড কোচ মিকি আর্থার বলেন, ‘আমার মনে হয় আমরা প্রতিপক্ষকে কাপিয়ে দিয়েছি। আমার কাছে হতাশাজনক বিষয় হলো শেষ তিন ম্যাচের প্রতিটিতে আমাদের জয়ের সুযোগ ছিল। আমি আমার খেলোয়াড়দের প্রতিনিয়ত জোর দিয়ে থাকি যেকোনো টি-টোয়েন্টি ম্যাচেই জয়ের সুযোগ থাকে এবং বল যদি আপনার হাতে থাকে তাহলে আপনাকে ব্যাটও হাতে নিতে হবে, পরিস্থিতি বুঝতে হবে, মূহুর্তগুলো নির্দিষ্ট করে তারপরই প্রস্তুত হতে হবে।’
শ্রীলঙ্কার স্কোয়াডে ৯ জন খেলোয়াড়েরই ১০টির বেশি টি-টোয়েন্টি খেলার অভিজ্ঞতা ছিল না। তারপরও তাদের পারফরম্যান্সে গর্বিত আর্থার, ‘আমি গর্বিত তারা যেভাবে খেলেছে। আমি বলেছিলাম টুর্নামেন্টের আগে আমার মনে হয়েছিল টি-টোয়েন্টি হলো আমাদের সবচেয়ে বাজে ফরম্যাট। আমরা জানি, আমরা সংস্কারের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। তবে আমরা মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছি।’
