এবার বোর্ডের মুখোমুখি ডমিঙ্গো

নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »

 

নিয়ম করে মাঠে এসে খেলা দেখছেন, বাংলাদেশের টানা হারে ব্যথিত না হওয়ারও কোনো কারণ নেই। বাকি দুটি খেলাও মাঠে বসে দেখেই দেশে ফেরার ইচ্ছা বোর্ড পরিচালক নাঈমুর রহমানের। বিরতির সময়টা ঘুরে-ফিরে পার করলেও বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট অধিনায়ক অবশ্য এখানে আসা বোর্ডে তাঁর অন্য সহকর্মীদের মতোই আশ্চর্যরকম নীরব।

ঠিক গালমন্দ না শুনলেও গত কিছুদিনে যা যা শুনেছেন, তাতে অভিমানের বরফ এমন জমাট বেঁধেছে যে তা আর গলছেই না। পাছে নতুন কিছু না আবার শুনতে হয়, এই আশঙ্কায় ক্রিকেটার থেকে প্রশাসক হওয়া নাঈমুররা আর কোনো কথাই বাড়াচ্ছেন না। এমনকি জাতীয় দলের দেখভাল করা কমিটির প্রধান আকরাম খানও চুপটি মেরে গেছেন একদম।

ওমানের মাসকাটে স্কটল্যান্ডের কাছে বাছাই পর্বের ম্যাচ হারার পরদিনই বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান সংবাদমাধ্যমের সামনে সিনিয়র ক্রিকেটারদের নিয়ে যে তীব্র সমালোচনায় মেতেছিলেন, সেটিই আসলে খুলে দেয় বোর্ড-ক্রিকেটার মুখোমুখি অবস্থান নেওয়ার পথ। ওমানকে হারানোর পর থেকেই এর জের টানার শুরু। সেদিন ম্যাচের পর সাকিব আল হাসানের সংবাদ সম্মেলনে প্রায় প্রতিটা প্রশ্নের জবাবেই ছিল উষ্ণতা।

তখনই কারণ বোঝা না গেলেও প্রশাসকদের ওপর ক্রিকেটারদের চটে থাকার ব্যাপারটি বোঝা যায় পাপুয়া নিউ গিনিকে হারানোর পর। মুখ খোলেন অধিনায়ক মাহমুদ উল্লাহ। আর সুপার টুয়েলভ পর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কার কাছে হারের পর সমালোচকদের আয়নায় মুখ দেখার পরামর্শ দিয়ে পাল্টা আঘাত হানেন মুশফিকুর রহিমও।

এমনিতে জাতীয় দলের জন্য যেকোনো পরিকল্পনা ঠিক করার আগে হেড কোচের সঙ্গে আলাপ করে নেওয়ার রেওয়াজ আছে। তাঁর পরামর্শকে গুরুত্বও দেওয়া হয়। দলের টানা হারে এবার সেই গুরুত্ব হারানো ডমিঙ্গো দুবাইতেই অবস্থান করা আকরামের সঙ্গে কথা না বলে শরণাপন্ন হন দেশে থাকা প্রধান নির্বাহীর, যা নিয়ে দলের বাজে সময়ের মধ্যেও আরেক দফা বিষবাষ্প ছড়ানো স্বাভাবিক। সময় প্রতিকূল বলেই হয়তো এ বিষয়ে ঝাঁজালো প্রতিক্রিয়া বলেই হয়তো এ বিষয়ে ঝাঁজালো প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেল না আকরামের। তবে অনুশীলন সূচি নিয়ে প্রধান নির্বাহীর সঙ্গে ডমিঙ্গোর সরাসরি যোগাযোগের বিষয়টি স্বীকার করলেন তিনি, ‘আমি জেনেছি যে উনি (ডমিঙ্গো) নাকি প্রধান নির্বাহীকে ই-মেইল করেছেন।

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »