আইসিসির বিশ্লেষণে, বাংলাদেশের তুরুপের তাস আফিফ-মুস্তাফিজ

নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »

 

আইসিসি বাংলাদেশকে আন্ডারডগ হিসেবে দেখছে। দলের তরুণরা তুরুপের তাস হবে বলে এক বিবৃতি দিয়েছে আইসিসি।

২০১৮ সালে আফিফের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি অভিষেক হলেও তখন খুব একটা সুযোগ পাননি। ২০২১ সালেই তিনি ধারাবাহিকতা বজায় নজর কেড়েছেন। এখন পর্যন্ত ২৮টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ২৩ ইনিংসে আফিফের সংগ্রহ ৩৭৩ রান। বল হাতে শিকার করেছেন ৭টি উইকেট।

আইসিসি বলছে, ২০১৮ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি অভিষেকেই শূন্য রানে আউট হওয়া আফিফের শুরুটা ছিল দুর্ভাগ্যজনক এবং তারপরই দল থেকে বাদ পড়েছিলেন তিনি। তবে ফিরে আসতে বেশি সময় নেননি। ২০১৮ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ যখন ৬০ রানে ৬ উইকেট ও সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে হারিয়ে হারের শঙ্কা দেখছিল, তখন আফিফ ২৬ বলে ৫২ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলে দলকে জয় এনে দেন।

এখন পর্যন্ত টি-টোয়েন্টিতে ওই একটিই অর্ধশতক ২২ বছর বয়সী আফিফের। তবে লোয়ার অর্ডারে তার ক্যামিও ইনিংস বাংলাদেশের জন্য বাড়তি পাওয়া এবং আফিফের এই সামর্থ্য বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপে বাড়তি শক্তি যোগ করেছে।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আফিফের মূল পরিচয় একজন বোলার হলেও বয়সভিত্তিক তিনি নিয়মিত বোলিং করতেন। ঘরোয়া ক্রিকেটেও নিয়মিত বোলিং করেন তিনি। ২০১৬ সালে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) রাজশাহী কিংসের পক্ষে টি-টোয়েন্টি অভিষেক ম্যাচেই পাঁচ উইকেট শিকার করে, অভিষেক সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে (১৭ বছর ৭২ দিন বয়স) পাঁচ উইকেট শিকারের রেকর্ড গড়েছিলেন আফিফ।

আসন্ন বিশ্বকাপে ব্যাট হাতে আফিফের ক্যামিও ইনিংস এবং প্রয়োজনের সময়ে বল হাতে চমক হতে পারে বাংলাদেশের জন্য খুবই মূল্যবান পাওয়া।

সর্বশেষ ১৫টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মুস্তাফিজ ৬.৪৯ ইকোনমি ও ১৪.৭০ গড়ে শিকার করেছেন ২৪টি উইকেট। সম্প্রতি রাজস্থান রয়্যালসের পক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভালো খেলেছেন এই বাংলাদেশি তারকা। ১৪ ম্যাচে শিকার করেছেন ১৪টি উইকেট। আছে ম্যাচজয়ী পারফরম্যান্সও। ফর্মে থাকা মুস্তাফিজ তাই নিঃসন্দেহেই বাংলাদেশের শক্তির সবচেয়ে বড় একটি খুঁটি।

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »