নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »
২০২০ সালে বাংলার যুবাদের বিশ্বকাপ জয়, ঐ মুহূর্ত প্রতি ক্রিকেটপ্রেমী চোখে বাঁধিয়ে রাখতে চায়। এমন দিন যেন বারবার ফিরে পেতে চায়, এমন খুশির দিনটি গড়ার পিছনে বড় কারিগর ছিলো খালেদ মাহমুদ সুজন। সম্প্রতি তিনি জানিয়েছেন এবারও অনূর্ধ ১৯ দলের সাথে কাজ করতে চান তিনি।
২০২০ সালে বিশ্বকাপজয়ী সেই দলকে প্রস্তুত করা, সঠিক পরিকল্পনা করে সেই অনুযায়ী বেশি বেশি ম্যাচ খেলানো, পুরো দলের সবাইকে একসাথে রাখাসহ বেশ কার্যকরী কিছু পদক্ষেপ নিয়েছিল বিসিবি, যা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ জয়ে। আর এসব কাজের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রশংসিত হয়েছেন খালেদ মাহমুদ সুজন।
ফলাফল হিসেবে পেয়েছিল বিশ্বজয়ের মর্যাদা।আগামী অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে তাই ট্রফি ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশের সামনে। তবে করোনা ইস্যুতে খেলাধুলা বেশ কিছুদিন বন্ধ থাকায় বর্তমান অনুর্ধ্ব-১৯ দলটিকে খুব বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ দিতে পারেনি বিসিবি। তাই আগামী দিনগুলোতে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বেশ কিছু ম্যাচ খেলতে হবে যুব টাইগারদের। বিশ্বকাপের আগ পর্যন্ত পরিকল্পনাও প্রস্তুত করে ফেলা হয়েছে।
সেই অনুযায়ী কাজ করে আবারও বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হতে চান সুজন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই আমি এখনও খুশি, কারণ বেশ কিছু ম্যাচ খেলেই আমরা বিশ্বকাপে যাব। তবে শতভাগ আশাবাদী সেটাও বলব না। চ্যাম্পিয়ন ভাগ্যের ব্যাপার। আমার আশা ভালো খেলবে।’
সব মিলিয়ে পরিকল্পনামাফিক কাজ করাতেই বেশি নজর দিতে চান সুজন। দল নিয়ে এগিয়ে যেতে এটাই বেশি দরকার- অভিমত সুজনের, ‘আগামী মে মাস, আমাদের ওআইসিএলটা শেষ হবে তখন থেকেই যেন ক্যাম্প শুরু করে দিই। খুব ছোট ছোট বিষয় নিয়েও আজ কথা বলেছি। কীভাবে সামনে আমরা ওয়েল ফরওয়ার্ড হবো টিমটাকে নিয়ে। প্ল্যান তো আছেই, বাকিটা আল্লাহ ভরসা।’
‘সবচেয়ে বড় কথা আগামী এক মাস হয়তো ডেভেলপমেন্টের সঙ্গে আছি। পাপন ভাই বলেছেন যে বিশ্বকাপ পর্যন্ত কমিটি হবে না, তবে বিশ্বকাপের পর যদি থাকি তাহলে আমাকে এই কাজগুলোই করতে হবে বা যিনি আসবেন… হয়ত আমিই থাকব বা অন্য কেউ আসতেই পারে। তারপরও আমাদের কাজ থেমে থাকবে না। আমি মনে করি, আমি দারুণ একটা গ্রুপের সঙ্গে কাজ করি।’
