সাদা পোশাকে বাংলাদেশের যত উইকেটরক্ষক

ইমতিয়াজ চৌধুরী »

ক্রিকেটের গুরুত্বপূর্ণ একটা স্থান উইকেটের পেছনের অংশ। পুরো মাঠ নজরে রাখতে পারার সক্ষমতাও কেবল এই উইকেটরক্ষকের। বোলারকে কৌশল বাতলে দেওয়া কিংবা ফিল্ডার পরিবর্তন, কখনো লাফ দিয়ে ক্যাচ, কখনো চোখের পলকে স্ট্যাম্পিং! সবদিকে সমান ভূমিকা রাখেন একজন বিচক্ষন উইকেটরক্ষক।

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের ইতিহাসে এমনই সাত ক্রিকেটারের সাথে আজ পরিচয় করিয়ে দিব, যারা দীর্ঘসময় কাটিয়েছেন গ্লাভস হাতে। খালেদ মাসুদ পাইলট, সাদা পোশাকে বাংলাদেশের প্রথম উইকেটরক্ষক। ২০০০ সালে খেলা দেশের অভিষেক টেস্ট ম্যাচে গ্লাভস হাতে উইকেটের পেছনে ছিলেন তিনি। সেই থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত ৪৪ টেস্টে এই দায়িত্ব পালন করেছেন। ডিসমিসাল করেছেন সর্বমোট ৮৭টি। যার মধ্যে ৭৮টি ক্যাচ এবং ৯টি স্ট্যাম্পিং। পরিসংখ্যান বিচারে সফলতম উইকেটরক্ষকদের মধ্যে দ্বিতীয় পাইলট।

একটিমাত্র টেস্টে গ্লাভস পড়েছেন মেহরাব হোসাইন। ২০০১ সালে সেই ম্যাচে একটি ক্যাচ তালুবন্দি করলেও কোনো স্ট্যাম্পিং নেই তার।

২০০৩ ক্যালেন্ডার ইয়ারে টেস্ট উইকেটরক্ষক হয়েছিলেন মুহাম্মদ সেলিম। তবে সেটা দুই ম্যাচের মধ্যেই সীমিত। তিন ক্যাচ আর এক স্ট্যাম্পিং নিয়ে সেলিমের ডিসমিসাল সংখ্যা মোট চারটি।

দেশের হয়ে সাদা পোশাকে সর্বাধিক ম্যাচে উইকেটের পেছনে ছিলেন মিস্টার ডিপেন্ডেবল। গ্লাভস হাতে ৫৫ ম্যাচ থেকে মুশফিকুর রহিমের অবদান শতোর্ধ্ব ডিসমিসাল। ২০০৭ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ৯৮টি ক্যাচের পাশাপাশি প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানকে স্ট্যাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলেছেন ১৫ বার। ১১৩টি ডিসমিসাল নিয়ে এক নম্বর উইকেটরক্ষকের নামটিও মুশফিক।

জাতীয় দলের বর্তমান টেস্ট উইকেটরক্ষক লিটন দাশ প্রথমবার গ্লাভস পড়েছিলেন ২০১৫ সালে। উইকেটের পেছনে এখন পর্যন্ত ১২ ম্যাচ থেকে ২০টি ক্যাচ এবং ২টি স্ট্যাম্পিং করেছেন তিনি।

এছাড়া ২০১৭ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত তিন ম্যাচে এই দায়িত্ব পালন করেছেন বাংলাদেশের সবচেয়ে দক্ষ উইকেটরক্ষকের তকমা পাওয়া নুরুল হাসান সোহান। তিন ম্যাচ থেকে পাঁচটি ক্যাচ এবং তিনটি স্ট্যাম্পিং রয়েছে তার।

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »