শোয়েব আক্তার »
২০১৪ সালে হারের বৃত্তে ঘুরপাক খাওয়া বাংলাদেশ কে জয়ের ট্র্যাকে তুলেন মাশরাফি বিন মতুর্জা। এরপর ২০১৫ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল খেলা, পাকিস্তান, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা সহ বিশ্বের সব বড় বড় দল গুলোকে নাকানি-চুবানি খাইয়ে একের পর এক সিরিজ জিতে নেয় বাংলাদেশ। ওয়ানডে ফরম্যাটে যেকোন প্রতিপক্ষের জন্য ভয়ঙ্কর এক প্রতিপক্ষের নাম হয়ে উঠে বাংলাদেশ।
মাশরাফির নেতৃত্বে অপ্রতিরোধ্য বাংলাদেশ দলকে নিয়ে ২০১৯ বিশ্বকাপে অনেক স্বপ্ন বুনেছিলো কোটি ক্রিকেট প্রেমি। তবে, বিশ্বকাপে পুরো দলের বিবর্ণ পারফম্যান্সের সাথে সমালোচনার জন্ম দেয় মাশরাফির বাজে পারফম্যান্স। তাইতো বিশ্বকাপের পর থেকেই দেশের ক্রিকেট পাড়ায় আলোচনার বড় বিষয় কবে ক্রিকেট কে বিদায় বলছেন তিনি?
অবশেষে সব ধোঁয়াশার খোলাসা হতে চলেছে। জিম্বাবুয়ে সিরিজেই অধিনায়কত্ব শেষ হতে চলেছে মাশরাফির। এরপর থেকে জাতীয় দলে খেলতে হলে ফিটনেস ও পারফর্ম করেই দলে ঢুকতে হবে মাশরাফিকে, বলে জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।
বোর্ড প্রেসিডেন্ট বলেন, ” বিশ্বের বড় বড় খেলোয়াড়’রা অনেক পরিকল্পনা করে অবসর নেন। আমাদের ও ইচ্ছা ছিল মাশরাফিকে আনুষ্ঠানিক বিদায় দেবো। এখন ও খেলতে চাইলে খেলবে। আমাদের কাছে বড় বিষয় হলো অধিনায়কত্ব। আমরা যদি নতুন অধিনায়ক ঘোষণা করে দেই তারপর ও পারফর্ম করে দলে ঢুকতে পারলে সে ঢুকবে। এক্ষেত্রে কারও কোন বাঁধা নেই।
তিনি আরও বলেন, “যে কেউ পারফর্ম ও ফিটনেস দিয়ে দলে ঢুকতে পারলে ঢুকবে, কোন সমস্যা নেই। যদি সে খেলতে চায়, খেলবে। কিন্তু দলে সুযোগ পাবে কি-না সেটা বলতে পারবো না। জাতীয় দলে খেলতে যা যা প্রয়োজন সব নিয়ম মেনেই দলে আসতে হবে।
মাশরাফির আনুষ্ঠানিক অবসরের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নাজমুল হাসান পাপন বলেন, ” আমরা চাইছিলাম ওর অবসরে হুলস্থূল কিছু করবো। কিন্তু সে না-কি এটা চায় না। কিন্তু আমাদের একটা সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
