শোয়েব আক্তার »
অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনাল কাল। জিতলে পাওয়া যাবে স্বপ্নের ফাইনালের টিকিট। হারলেই ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যাবে বিশ্বকাপ স্বপ্ন। পচেফস্ট্রুমে আজ বাংলাদেশ সময় দুপুর দু’টায় নিউজিল্যান্ড অনুর্ধ্ব-১৯ দলের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ অনুর্ধ্ব-১৯ দল। দ্বিতীয় বারের মতো অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। এরআগে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত ২০১৬ অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে মেহেদি হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল শেষ চারে খেলেছিল।
সেমি-ফাইনালের আগে ম্যাচ পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ অনুর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক আকবর আলি বেশ সতর্ক ও আত্মবিশ্বাসী মনে হয়েছে। গেল দুই বছর যুবাদের দূর্দান্ত পারফম্যান্সের কারণে অনেকেই দলটি’র মধ্যে শিরোপা জয়ের সম্ভাবনা দেখছেন। বিশেষ করে কোয়ার্টার ফাইনালে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকাকে উড়িয়ে দিয়ে জয় পাওয়ায় সবার প্রত্যাশা আরও বেড়ে গেছে। ধারাভাষ্যকার অ্যালান উইলকিনস তো কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচের পরই বলে দিয়েছেন, নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে বাংলাদেশ-ই ফাইনাল খেলবে।
ফাইনাল খেলার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না অধিনায়ক আকবর আলী। তিনি মনে করেন নিজেদের সামর্থ অনুযায়ী খেলতে পারলেই ম্যাচের ফলাফল বাংলাদেশের পক্ষে আসবে।
অ্যালান উইলকিনস এর কথা যে আকবর আলি’রা খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছেন না তা বুঝা গেল তাঁর কথায়। গত বছরের জুলাই মাসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৪-১ ব্যবধানে সিরিজ জেতার পরও বেশ সমীহ নিয়ে কথা বললেন আকবর, “নিউজিল্যান্ড এত দূর এসেছে ভালো ক্রিকেট খেলেই।’ কারও কথায় যেন আমাদের মনঃসংযোগে ব্যাঘাত না ঘটে সে ব্যাপারে আমাদের সতর্ক থাকাই ভালো।”
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে নিজেদের লক্ষ্যও নির্ধারণ করে রেখেছেন বাংলাদেশ জুনিয়র টাইগার অধিনায়ক। তিনি বলেন, “কিইউইদের শক্তির জায়গাটা খুব ভালো করেই জানি আমরা। এজন্য মানুষিক ও শারীরিক দুটি প্রস্তুতিই আমরা খুব ভালোভাবে নিয়ে রেখেছি। নিউজিল্যান্ডকে কম রানে অল-আউট করার চেষ্টা করব। লোয়ার অর্ডারে তাদের বেশ কিছু ভালো ব্যাটসম্যান আছে। তাদের ব্যাটিং লাইন অনেক লম্বা।”
নক-আউট পর্বের যে কোন ম্যাচই চাপের। তার উপর যুব বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল। চাপ থাকাটা-ই স্বাভাবিক। কিন্তু আকবর আলি এই ‘চাপ’ শব্দ থেকেই দূরে রাখতে চান নিজেদের। সে ব্যাপারে সম্পূর্ণ নিজস্ব কৌশলের কথাই শুনালেন তিনি, “দলের সবাই শান্ত আছে। এটা সেমিফাইনাল বা ফাইনাল মনে না করে অন্য দশটা ম্যাচের মতো মনে করলেই ভালো ফল হবে বলে আমি করি।”
