ভাষাগত সমস্যা নিয়ে গিবসের দিকে উল্টো তীর ছুড়ে দিয়েছেন নাঈম

দুর্জয় দাশ গুপ্ত »

সিলেট থান্ডারের কোচ হার্শেল গিবস দুদিন আগেই গণমাধ্যমে দাবি করেছিলেন, স্থানীয় ক্রিকেটারদের অনেকেই ইংরেজি বোঝেন না। আর এ কারণে ক্রিকেটারদের বোঝানো কঠিন হয়ে যাচ্ছে তার জন্য। কিন্তু কোচের এই মন্তব্যের সঙ্গে একদমই একমত নন স্পিনার নাঈম হাসান। সিলেট থান্ডারের ডানহাতি এই অফ স্পিনার এবার উল্টো তীর ছুড়ে দিয়েছেন কোচের প্রতি। তিনি বলেন, জাতীয় দলের কোচরাও তো ইংরেজিতেই কথা বলে থাকেন!

দল হিসেবে মোটেও ভালো করছে না সিলেট থান্ডার। বঙ্গবন্ধু বিপিএলে এখন পর্যন্ত ৯ ম্যাচ খেলে ৮টিতেই হার তাদের। বৃহস্পতিবার ঘরের মাঠে জয়ের সুযোগ সৃষ্টি করেছিলো তারা।
আরো সহজ করে বললে জয়ের খুব কাছ থেকে ফিরে এসেছে আন্দ্রে ফ্লেচারের দল। কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে বঙ্গবন্ধু বিপিএলের এভাবের আসরের প্রথম সুপার ওভারে গিয়ে হতাশায় ডুবতে হয়েছে স্বাগতিকদের।

স্বাগতিক দল হওয়াতে সবার আগেই সিলেট পৌঁছেছিল সিলেট থান্ডার। তবে থান্ডার কোচ হার্শেল গিবস বিপিএল শুরুর পর সাংবাদিকদের সামনে আসেননি। গত ম্যাচের পর অর্থাৎ ৮ ম্যাচে ৭টিতে হারের পর বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের নিয়ে বিস্ফোরক এক মন্তব্য করে বসেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক এই হার্ডহিটিং ব্যাটসম্যান৷

তার দাবি মন মতো দল সাজাতেও ব্যর্থ হয়েছে সিলেট থান্ডার। কিন্তু বিপিএল প্লেয়ার্স ড্রাফটে ছিলেন না গিবস। এদিকে কোচের মন্তব্যের সঙ্গে দিমত পোষণ করে নাঈম হাসান সংবাদ সম্মেলনে বলেন, `আমার এমনটা একদমই মনে হয় না। জাতীয় দলের কোচরাও তো ইংরেজিতেই কথা বলে। বাকিটা আপনারাই বুঝে নেন ।’

টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই আলোচনার বিষয় সিলেট থান্ডার৷ ক্রিসমার সান্টোকির করা নো বল-ওয়াইড বল বিতর্ক থেকে শুরু করে আলোচনায় আছে টানা হার। মোট কথা কোনো কিছুই পক্ষে নেই সিলেটের। গণমাধ্যমকে নাঈম আরো জানান, দল হিসেবে খেলতে পারছে না সিলেট থান্ডার। এজন্যই দলের এই হাল।

নাঈম জানান, ‘মাঠে তো আমরাই খেলে যাচ্ছি। দোষটা আমাদেরই। যার যার জায়গা থেকে যদি আমরা ঠিকভাবে খেলতাম। আসল কথা দল হিসেবে খেলা হচ্ছে না আমাদের। হার-জিত পুরোটাই আল্লাহর ইচ্ছা। আমাদের কাজ হলো শতভাগ দেয়া। কেউ আগে বলতে পারবে না মাঠে নেমে তারা জিতবে। হয়তো আমাদের খুব খারাপ সময় যাচ্ছে। আমাদের হাতে আছে কেবল নিজেদের শতভাগ দেয়া।’

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »