https://scontent.fdac4-1.fna.fbcdn.net/v/t1.0-9/36386236_2027432020601594_1928619179817041920_n.jpg?_nc_cat=104&_nc_eui2=AeFY40879vpUlXD3TvLuwunYiYPt9keMWugjnmsYPL9A2_cQ-azY1GmWWQy36LFNFzNLAU2kdDYB9vV9Qwdjt7cfxuFbw0DGkcoiJ24B4pOm6Q&_nc_ht=scontent.fdac4-1.fna&oh=926e9b4229d9f6e3ffd66fe5510e3767&oe=5D672D33 »
এবারের বিশ্বকাপে অংশ নেয়ার আগে ডাক-ঢোল পিটিয়েই জানান দিয়েছিল আফগানিস্তান। তবে কথায় আছে ‘যত গর্জে তত বর্ষে না’। এই কথাই যেন আফগানদের সাথে মিলে গেল অক্ষরে অক্ষরে।
বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ৫টি ম্যাচ খেললেও তাদের জয় নেই একটি ম্যাচেও। তাও আবের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হার নয়, একেবারে ল্যাজেগোবরে অবস্থা। দলটির বিতর্ক অবশ্য ছিল বিশ্বকাপের শুরু থেকেই। টুর্নামেন্ট শুরু হবার আগ মুহূর্তে অধিনায়ক আজগর আফগানকে অধিনায়কের পথ থেকে সরিতে দেয়ার ঘটনা দিয়ে শুরু হবার পর সব শেষ ঘটনাটি হল ম্যানচেস্টারে রেস্টুরেন্টে ক্রিকেটারদের মারামারি। আর শাহাজাদকে জোর করে দল থেকে বাদ দেয়ার মত ঘটনাতো রয়েছেই।
এদিকে দলের ব্যর্থতার দায় যখন দেশটির ক্রিকেট বোর্ড কোচ ফিল সিমন্সের উপর চাপাতে চাচ্ছে তখন তিনি হুমকি দিলেন অনিয়মের সব গোমর ফাঁস করে দেয়ার।
সিমন্স তার টুইট অ্যাকাউন্টে একটি টুইটে লেখেন, ‘বিশ্বকাপের মাঝখানে এসে দল কিভাবে ভালো করবে সেটা বের করার চেষ্টা করছি। বিশ্বকাপের পর আমি আফগানিস্তানের মানুষকে বলে দিব দাওলাত আহমেদজাই কীভাবে আমাদের প্রস্তুতিতে প্রভাব ফেলেছেন ও আজগর আফগানকে কিভাবে অধিনায়কের পদ থেকে সরিয়েছেন।’
