করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশের ধারাভাষ্যকাররাও

নিউজ ডেস্ক »

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

অন্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের ধারাভাষ্য বিভাগ খুবই ছোট। ধারাভাষ্যকার আছে খুবই অল্পসংখ্যক। তাদের মধ্যে বেশিরভাগ বিভিন্ন রেডিও স্টেশন ধারাভাষ্যকার। অপরদিকে আছেন কয়েকজন আন্তর্জাতিক ধারাভাষ্যকার। তাদের মধ্যে অন্যতম আথার আলী খান ও শামীম আশরাফ চৌধুরী। দেশ-বিদেশে বাংলাদেশের খেলা হলেই তাদের দেখা যায়। কিন্তু করোনার কারণে তারাও ক্ষতিগ্রস্ত। পার করছেন কঠিন সময়।

আথারর আলী খান বাংলাদেশ দল যেখানে যান সেখানেই উপস্থিত থাকেন। তিনি বলতে গেলে বাংলাদেশ দলেরই একজন সদস্য হয়ে যান। প্রায় সব বিদেশ সফর কিংবা আইসিসির টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের হয়ে লড়ে যান কমেন্ট্রি বক্সে। কিন্তু দেশের যখন খেলা নেই তখন তার ধারাভাষ্য দেয়ারও সুযোগ নেই। এই অবস্থায় আর্থিক ক্ষতির মুখে তারা।

সম্প্রতি আথারর আলী খান এর সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘পেশাদার ভাবে যখন আপনি কিছু করবেন তখন আপনি সেটা বিনা পারিশ্রমিকে করছেন না। হ্যাঁ আমি কিছুটা ধাক্কা খেয়েছি যেহুতু আমার আয় বন্ধ। অন্যদিকে খরচ কিন্তু সব চলছে। আমার একটা চুক্তি ছিলো পাকিস্তানে গিয়ে অডিয়াই আর টেষ্ট সিরিজে ধারাভাষ্য দেবো।’

অন্যদিকে তিনি ঘরের মাঠের সিরিজের ব্যাপারে বলেন, ‘সামনের অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড সিরিজে আমি থাকতাম কিনা জানিনা। সাধারণত সিরিজের আগে ব্রডকাস্টার ও প্রযোজনা বিভাগ ঠিক করে কে থাকবে কে থাকবেনা। কিন্তু সিরিজ না হওয়ায় এটির আর সুযোগ নেই।’

অন্যদিকে দেশের আরেক ধারাভাষ্যকার শামীম আশরাফ চৌধুরী বেশ বড় সড় ধাক্কায় খেয়েছেন। তিনি ধারাভাষ্যের পাশাপাশি বিভিন্ন ক্রীড়া অনুষ্ঠানে সঞ্চালক ও এনালিস্ট হিসেবে কাজ করতেন। তার আয়ও বন্ধ। তিনি বলেন, ‘এতগুলো সিরিজ একের পর এক না হওয়ায় আমার আর্থিক ভাবে অনেক ক্ষতি হয়েছে৷ মিডিয়াতে কাজ করে আমি আগে বেশ ভালই আয় করতাম। প্রত্যেকে আয় অনুসারে নিজস্ব জীবনযাত্রা তৈরি করেছে, তাই আমার জন্য আমার আয় মারাত্মকভাবে কমেছে।’

নিউজক্রিকেট/রীম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »