সাকিবের মন্থর ব্যাটিং ও বোলিংয়ে শেষ চারে বার্বাডোজ

নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »

গতকালের ম্যাচ খেলার ২২ ঘন্টার মধ্যে আজ আবারো মাঠে নামে সাকিবের বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টস। আজ তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে পায় ড্যারেন সামির সেন্ট লুসিয়া জুকসকে। এটি দুই দলের জন্য ছিলো এক অঘোষিত কোয়ার্টার ফাইনাল। প্লে অফের টিকেট পেতে দু দল জয় ছাড়া আর কিছু ভাবছিলো না।

এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে সাকিব আল হাসানের বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টস টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। শুরুতেই অ্যালেক্স হেলসের উইকেট হারিয়ে বসে বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টস। এরপর তিণে ব্যাটিংয়ে নামে সাকিব আল হাসান। তবে সাকিব আল‌ হাসান আজও আত্মবিশ্বাসের সাথে ব্যাটিং করতে থাকে এবং ইনিংস বড় করার ইঙ্গিত দিতে থাকেন। সাকিবের বিপরীতে থাকা জনসন চার্লসের মারমুখী ব্যাটিং চললেও সাকিব ধীরেই খেলতে থাকেন তবে শেষ রক্ষা হয়নি। নবম ওভারের তৃতীয় বলে ফাওয়াদ আলমের বলে মারতে গিয়ে কলিন ইনগ্রামের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে ২১ বলে ২২ রান করে আউট হন সাকিব আল হাসান। জনসন চার্লস সর্বোচ্চ ৩৬ বলে ৪৭ রানের ইনিংস খেলেন। আর শেষ দিকে জাস্টিন গ্রিভস ২৬ বলে ২৭ রান করে অপরাজিত থাকলে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটের বিনিময়ে ১৪১ রান করে থামে সাকিবের বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টস।

ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই বেশ ভালো করতে থাকে সেন্ট লুসিয়া জুকস। ছোট লক্ষ্য যেভাবে তাড়া করতে হয় তারা সেভাবেই করছিলো। তবে শেষদিকে বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টসের লেগ স্পিনার হেইডেন ওয়ালশের দুর্দান্ত বোলিংয়ে সহজ জয় হাতছাড়া করে ড্যারেন সামির সেন্ট লুসিয়া জুকস। পুরো ম্যাচে আধিপত্য বিস্তার করে খেলা সেন্ট লুসিয়া জুকসের শেষ দিকে দরকার ছিলো ২৮ বলে ৩১ রান এবং হাতে ছিলো ৬টি উইকেট। এটি তাদের হাতের মুঠোয় ছিলো বলাই যায় তবে হাতের মুঠো থেকে ম্যাচ কেড়ে নিয়ে এসেছেন লেগ স্পিনার হেইডেন ওয়ালশ। প্রথমে আঘাত হানে হ্যারি গার্নি। এরপরের ওভারে এসে তিণটি উইকেট তুলে নেয় হেইডেন ওয়ালশ। এরপরে ৪ উইকেটে ১১১ থেকে স্কোর এসে পৌঁছায় ৮ উইকেটে ১১৩। এভাবে ম্যাচটা তাদের হাত থেকে ফসকে যায়। এরপর শেষে হ্যারি গার্নি একটি ও হেইডেন ওয়ালশ একটি উইকেট নিয়ে অলআউট করে দেয় সেন্ট লুসিয়া জুকসকে। হেইডেন ওয়ালশ নেন ৪টি উইকেট এবং হ্যারি গার্নি নেন ৩টি উইকেট। এভাবে সহজে প্লে অফের সুযোগ হাতছাড়া করে সেন্ট লুসিয়া জুকস এবং হারা ম্যাচ জিতে প্লে অফ নিশ্চিত করে সাকিব আল হাসানের বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টস।

এমন ম্যাচে সাকিব আল হাসানের ভুমিকাও কম নয়। ব্যাট হাতে বেশি রান করতে না পারলেও শুরুতে উইকেট হারানোর পর জনসন চার্লসের সঙ্গে ৬২ রানের জুটি বাঁধতে সহায়তা করেন‌ সাকিব। এবং ৪ ওভার বল করে ২০ রান‌ দিয়ে ১ টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নেন‌ সাকিব। কলিন ইনগ্রামের দুর্দান্ত খেলতে থাকা ভয়ংকর হতে পারতো তবে সাকিব নিজের বলে নিজেই ক্যাচ ধরেন ফিরিয়ে দেন তাকে।

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »