লাল বলের ফরম্যাটকে বিদায় জানালেন অ্যাস্টল

সাজিদা জেসমিন »

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

জাতীয় দলের জার্সি গায়ে লাল বলের ফরম্যাটে অভিষেক হয় ২০১২ সালে। সাত বছরে মাত্র ৫টি টেস্ট খেলার সুযোগ পেয়েছেন। লাল বলের ফরম্যাটে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে আর খেলতে দেখা যাবেনা অ্যাস্টলকে। শুধুমাত্র টেস্ট নয়, প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটকেও বিদায় জানাচ্ছেন নিউজিল্যান্ড লেগ স্পিনার।

টেস্ট ক্রিকেটে খুব কমই সংখ্যাকে ম্যাচই খেলেছেন তিনি। একটানা খেলা হয়নি টেস্টে। এমনকি ১ বর্ষ ক্যালেন্ডারে ২টি টেস্ট ও ভাগ্যে জুটেনি তাঁর। ২০১২ সালপাত অভিষেকের পর আবার ২য় টেস্ট খেলেন চার বছর পর। ৩য় টেস্ট তারও দেড় বছর পর।

সর্বশেষ লাল বলের ফরম্যাটে জাতীয় দলের জার্সিতে খেলেছেন গতমাসে সিডনি টেস্টে। ৫ টি টেস্টের ৮ ইনিংসে ৩৩বছর বয়সী এ-ই লেগী উইকেট পেয়েছেন ৭টি। আর ব্যাট হাতে করেন ৯৮ রান।

মূলত সীমিত ওভারের ক্রিকেটে মনোযোগ বাড়াতে লাল বলের ক্রিকেট ছাড়লেন অ্যাস্টল। জানিয়েছেন, পারিবারিক ও ব্যবসায়িক জীবন সামলে লাল বলের ক্রিকেটের জন্য যে প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন, সেটা তার জন্য ছিল কঠিন।

প্রধানত সীমিত ওভারের ফরম্যাটে মনোযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যেই লাল বলের ফরম্যাট ছাড়ছেন অ্যাস্টল। পারিবারিক ও ব্যবসায়ীক জীবনের পাশাপাশি লাল বলের ফরম্যাটে সময় দেওয়া দুঃসাধ্য ব্যাপার হয়েছে, এমনটা উল্লেখ করে বলেন, ‘লাল বলের ফরম্যাটে খেলা সর্বদা লালিত স্বপ্ন ছিল। ক্রিকেটের লঙ্গার ভার্সনে দেশ ও প্রদেশকে প্রতিনিধিত্ব করা নিঃসন্দেহে আমার জন্য অনেক সম্মানের ব্যাপার । লাল বলের ফরম্যাট সবকিছুর ঊর্ধ্বে। কিন্তু এর জন্য অনেক সময় এবং প্রস্তুতি প্রয়োজন। এই সংস্করণের জন্য যে ধরনের প্রত্যয় প্রয়োজন, সেটি ধরে রাখা বর্তমানে আমার জন্য অনেক কঠিন।’

প্রথম শ্রেণির ম্যাচে অভিষেক ঘটে ২০০৫ সালে। অভিষেকের পর তিনি ১১৯টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেছেন। ২৫.৮৬ গড়ে নিয়ে করেছেন ৪৩৪৫ রান, এবং ৩২.১৭ গড়ে নিয়েছেন ৩৩৪ টি উইকেট। ক্যারিয়ারের শুরুটা ছিলো নিজ প্রদেশ ক্যান্টেরবুরির ওপেনার ব্যাটসম্যান হিসেবে। ক্যান্টেরবুরির হয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সর্বোচ্চ ৩০৩ উইকেট প্রাপ্তির রেকর্ডটা তার দখলে রয়েছে।

নিজের অর্জন সম্পর্কে অ্যাস্টল বলেন, ‘দেশ ও প্রদেশের হয়ে যা কিছু অর্জিত হয়েছে, তার জন্য আমি সত্যিই অনেক গর্বিত। সিডনিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে লাল বল ফরম্যাটের স্কোয়াডে সুযোগ পেয়েছি, এই অভিজ্ঞতা আমি সব সময় হৃদয়ে লালন করব। আমি এখন আমার পুরো মনোযোগ সাদা বলের সংস্করণে দিতে চাই, পাশাপাশি আমার তরুণ পরিবার এবং নতুন ব্যবসাকে আরও সময় দেওয়ার জন্যও।’

দেশের মাটিতে আসন্ন ভারতের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের জন্য স্কোয়াডে বিবেচনায় ছিলেন অ্যাস্টল। নিউজিল্যান্ডের নির্বাচকদের কাছে এখন বিকল্প হিসেবে মিচেল স্যান্টনার, উইল সমারভিল কিংবা এজাজ প্যাটেল ই হয়তো তার স্থলাভিষিক্ত হতে যাচ্ছেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »