যুবাদের ফাইনাল নিশ্চিত করার কারিগর জয়!

সাজিদা জেসমিন »

আহ ফাইনাল…..।স্বপ্নের ফাইনাল। অধরা এ-ই স্বপ্ন কি স্বপ্নই রয়ে যাবে কিনা এমনটা প্রশ্ন হয়তো পর পর উইকেট হারানো দেখেই সবার মনে উঠেছিলো। কিউইদের শেষ ওভারে কিছু রান বেশি হয়ে যাওয়ায় ভয় কাজ করছিলো আবারো সামান্য রানের জন্য জয়ের স্বপ্ন অধরা রয়ে যাবে নাতো? আবার কি কাঁদতে হবে? তীরে এসে এভাবে ডুবে যাবে তরী? আদৌ কি বিশ্বকাপের দৌড়ে টিকে থাকা হবে নাকি থামতে হবে সেমিতেই।

কিন্তু নাহ…..। সব চিন্তার অবসান ঘটিয়ে যুবারা কাঙ্ক্ষিত ফাইনালে। সবার চোখ যখন তামিমের দিকে তাকিয়ে,কিন্তু তামিম দ্রুত ফিরে যান। আর তখন ক্রিজে আসেন আজকের জয়ের নায়ক মাহমুদুল হাসান জয়। কিন্তু প্রথমবার পার্টনারশিপ গঠনে ব্যর্থ হন। এরপর ২য় উইকেটের পর আসেন তৌহিদ হৃদয়।

হৃদয়-জয় জুটি উইকেটে সেট হতে থাকেন। দুজনের পার্টনারশিপে আসে ৬৬ রান। যা আজকের ইনিংসে শক্ত একটা ভিত গড়ে দেওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিলো। এরপর ২৩ তম ওভারে হৃদয় আউট হলে শাহাদাত-জয় আবারো জুটি গড়েন। আর এ-ই জুটির করা ৯৮ রান দলকে অনেকটা জয়ের প্রান্তে এগিয়ে নিয়ে যায়। আর ৪৩তম ওভারে আসে মাহমুদুলের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি। যাতে ছিলো ১৩টি চারের মার। আর ১০০রানের ইনিংস খেলতে মাহমুদুল মাত্র ১২৭ বল খরচা করেন। এবং সেঞ্চুরির পরের বলে জয় আউট হন।

জয়ের করা দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতেই আজ দল পেয়েছে প্রথমবার ফাইনাল খেলার মর্যাদা। এ-ই জয়ের স্বাদ নিতেই পচেফস্ট্রুমেও আজ দেখা গিয়েছিলো কয়েক টুকরো বাংলাদেশ। যারা লাল-সবুজের জার্সি এবং পতাকা হাতে সমর্থন জুগিয়ে গেছেন লাল-সবুজ বাহিনীকে।

এখন লক্ষ্য সোনালী ফাইনালের। কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য জয়ে এগিয়ে যাক যুবারা। ছিনিয়ে আনুক জয়, বিদেশের মাটিতে বেজে উঠুক লাল-সবুজের প্রাণের স্পন্দন জাতীয় সংগীত, উড়তে থাকুক লাল-সবুজের পতাকা। লক্ষ কোটি বাঙালি থাকবে সেই মাহিন্দ্রক্ষণের অপেক্ষায়।

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »