বাংলাদেশের ফিল্ডিংয়ে অবনতি, কারণ জানে না কেউ

নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »

 

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে নিজেদের প্রথম ইনিংসে মাত্র ১০৩ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ।

ব্যাটিংয়ে যেহেতু ভালো হয়নি। তখন ক্যারিবিয়ানদের বোলিং ও ফিল্ডিংয়ে আটকানোই ছিল বাংলাদেশের একমাত্র উপায়। কিন্তু সেখানে ব্যর্থ হয় টাইগাররা।

নিজেদের প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ করে ফেলে ২৬৫ রান।

অলআউট হওয়ার পর ফিল্ডিংয়ে নেমেই বাংলাদেশ বিকেল বেলা ফেলে দেয় তিনটি ক্যাচ।

ম্যাচের দ্বিতীয় দিন সকাল বেলা সুযোগ তৈরি করা সুযোগ করেন বোলাররা। কিন্তু ফিল্ডারদের অমনোযোগ এবং ব্যর্থতার কারণে বোলাররা সাফল্য পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়।

তবে দ্বিতীয় দিনের শেষ দিকে মেহেদি হাসান মিরাজ এবং লিটন দাস ভালো ক্যাচ লুফে নিতে সমর্থ হন। তবে ওইদিনই ক্যারিবীয়রা ১৬২ রানের লিড নিয়ে নেয়। কিন্তু যদি ফিল্ডাররা তাদের ফিল্ডিংটা ভালোভাবে করতে পারতেন তাহলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের এ রান আরও কম হত।

সবমিলিয়ে বাংলাদেশ হাতছাড়া করে পাঁচটি ক্যাচ।

প্রথম ইনিংসে ক্যারিবিয়ানদের হয়ে সর্বোচ্চ ৯৪ রান করেন ক্রেইগ ব্রাথওয়েট। এই ব্রাথওয়েটকে ০, ১৬ এবং ৬৪ রানে আউট করার সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। অন্যদিকে ব্রাথওয়েটের সঙ্গে তৃতীয় উইকেটের পার্টনারশিপে ৬২ রান করা এনরুমাহ বোনার দুইবার আউট করার সুযোগ পেয়েও সাজঘরে ফেরত পাঠাতে পারেনি বাংলাদেশ।

এ বছর তিনটি ফরমেটের সবগুলোতেই অনেকগুলো ক্যাচ ছেড়ে দিয়েছে টাইগাররা। যার কারণে পাওয়া যায়নি কাঙ্খিত সাফল্য।

টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ যে কটি ক্যাচ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিল তার তিন ভাগের এক ভাগ ফেলে দিয়েছে। টাইগাররা এ ফরমেটে ক্যাচ নিয়েছে ৮৪টি। আর ধরতে পারেনি ৩৯টি ক্যাচ।

টেস্টেও সংখ্যাটা প্রায় একই। এই ফরমেটে ৬৯টি ক্যাচ ধরার সুযোগ পেয়ে ছেড়েই দিয়েছে ২৪টি।

বাংলাদেশের ক্যাচ নেওয়া এবং ফিল্ডিংয়ের এ হালের কারণ জানে না কেউ।

মার্চে যখন আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে পাঁচটি ম্যাচে ৯টি ক্যাচ হাতছাড়া বাংলাদেশ, তখন প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গো জানিয়েছিলেন, তারা জানেন না কেন বার বার এটি হয়ে আসছে।

তবে ফিল্ডিং এবং ক্যাচ নেওয়ার সমস্যাটি বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুতর সমস্যা এটি সত্যি। ফিল্ডিং কোচরা হয়ত জানে বিষয়টি। কিন্তু তারা সেটি প্রকাশ করে না।

বাংলাদেশের ফিল্ডিং কোচ হিসেবে কাজ করেছেন রায়ান কুক। তিনি চলে যাওয়ার পর অল্প সময়ের জন্য কাজ করেছেন রাজিন সালেহ। এখন কাজ করছেন শ্যান ম্যাকডারমোট। কিন্তু কোনো কিছুরই পরিবর্তন হয়নি।

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »