পেসারদের পারফরম্যান্সে আমি খুবই খুশি: সাকিব

নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »

 

অ্যান্টিগা টেস্টের প্রথম ইনিংসে টাইগাররা অলআউট হয়েছে ১০৩ রানে। তবুও ‘খুবই খুশি’ সাকিব আল হাসান। বাংলাদেশের টেস্ট দলপতির খুশির কারণ দলের বোলারদের আগ্রাসী বোলিংয়ে উৎফুল্ল সাকিব।

শুরু থেকে তাদের চেপে রাখেন বাংলাদেশের পেসাররা। মুস্তাফিজুর রহমান, খালেদ আহমেদ ও এবাদত হোসেনদের খুবই সতর্কের সঙ্গে সামলেছেন ক্যারিবিয়ানরা। যদিও দিন শেষে ৯৫ রান তুলতে দুই উইকেট হারিয়েছে স্বাগতিকরা।

সফরকারি বোলারদের মধ্যে প্রায় ১৬ মাস পর টেস্টে ফেরা মুস্তাফিজ ১২ ওভারে মাত্র ১০ রান খরচায় জন ক্যাম্পবেলের উইকেট নেন। এছাড়া এবাদত হোসেন ১২ ওভারে ১৮ রানে নেন রেমন রেইফারের উইকেট। আরেক পেসার খালেদ উইকেট না নিলেও ৯ ওভারে খরচ করেন ১৫ রান। এই তিনজন একসঙ্গে নিয়েছেন ১৪টি মেডেন।

প্রথম দিন শেষে সাকিব বলেন,”আমি খুবই খুশি (পেসারদের নিয়ে)। কিছু হাফ চান্স ছিল। সেগুলো নিলে পেসারদের জন্য দারুণ একটা দিন হতো। যেটা আমরা বেশ কিছুদিন ধরেই পাইনি। পেস বিভাগ খুবই ভালো বল করেছে। জুটিতে ভালো বল করেছে। মোস্তাফিজ দারুণ ছিল। খালেদও অনেক ভালো বল করেছে নতুন বলে। এবাদত সবসময় ভালো বল করছে। তিনজনই ভালো করেছে। ওরা (পেসাররা) একটু দুর্ভাগা। আরও দুটি উইকেট পেলে হয়তো আমরা ভালো অবস্থানে থাকতাম। যদি ১০০ রানে ৪ উইকেট থাকতো, তাহলে কাল (শুক্রবার) আরও ১০০ রানের মধ্যে ওদের অলআউট করলে আমরা ম্যাচে থাকতাম। এখন যে হবে না তা বলছি না।”

এই টেস্টে বাংলাদেশের সামনে দুটি উপায় খোলা আছে বলে মনে করছেন সাকিব। টেস্ট ম্যাচটি জিতলে হলে নিজের বাতলে দেয়া দ্বিতীয় উপায়কেই শ্রেয় মানছেন তিনি। সেক্ষেত্রে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দ্রুত অলআউট করে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে আরও বেশি রান করতে হবে বাংলাদেশকে।

সাকিব বলেন,”দেখুন, এখানে দলের দুটি সুযোগ আছে। একটা হচ্ছে ছেড়ে দিয়ে ওদের যতো ইচ্ছা রান করতে দেওয়া। তারপর আমরা সেকেন্ড ইনিংসে ব্যাট করে খেলা শেষ হয়ে গেলো। আরেকটা হচ্ছে আমরা চেষ্টা করলাম। যদি ওদের আড়াইশো রানের ভেতরেও অলআউট করতে পারি, তখন আমরা দ্বিতীয় ইনিংসে ভালো ব্যাটিং করলে… শেষ ইনিংসে এখানে কী হবে, আমরা তো জানি না।”

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »