ক্রিকেটীয় ‘সুপার ওভার’

নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

১৯৯৬ সালে শ্রীলঙ্কার পর নতুন চ্যাম্পিয়ন পেল ক্রিকেট বিশ্ব। আর সব মিলিয়ে ষষ্ঠ দল হিসেবে বিশ্বকাপ জিতেছে ক্রিকেটের জনক ইংল্যান্ড। শুধু কি জয়, আগের ১১তম আসরে যেটা কখনও ঘটেনি সেটাই ঘটিয়ে শিরোপার জয়োল্লাস করেছে ইংলিশরা।

রবিবার হোম অব ক্রিকেট লন্ডনের দ্য লর্ডসে আগে ব্যাট করে ২৪১ রান তুলে নিউজিল্যান্ড। জবাবে সমান সংখ্যক রান করে ম্যাচ টাই করে ইংল্যান্ড। ফলে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মত ফাইনাল ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে। আবারও নাটকীয় সেই সুপার ওভারেও ১৫-১৫ রান করে ম্যাচ টাই হলেও বাউন্ডারির হিসেবে জয় পায় ইয়ন মর্গানের দল।

এই জয়ের পক্ষে-বিপক্ষে অনেক আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। কিন্তু আসলে সুপার ওভার কি? ক্রিকেটীয় নতুন এক পরিভাষা সুপার ওভার। এই পদ্ধতি কারো কাছে আবার বর্জনকারী বা এলিমিনেটরও। আইসিসি’র নতুন এই পদ্ধতি সীমিত ওভারের ক্রিকেটে টাই-ব্রেকিংয়ের ক্ষেত্রে ব্যবহার ঘটে।

টানা দু’বারের ফাইনালিষ্ট নিউজিল্যান্ড সুপার ওভারও ভাগ্য বদল করতে পারেনি। অন্যদিকে সুপার ওভারের জটিল সমীকরনে কিউইদের কাঁদিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ ঘরে তুলেছে ইংল্যান্ড। চলুন তবে এবার দেখে নেই আলোচিত ‘সুপার ওভার’ এর নিয়মগুলো;

খেলোয়াড়: 
প্রতিটি দলে শুধু মাত্র নির্বাচিত ১১ জন খেলোয়াড়ের মধ্য থেকে ৩ জন ব্যাট এবং ১ জন বোলিং করতে পারবেন।

ব্যাটিং: মূল খেলায় যারা পরে ব্যাট করেছেন তারা সুপার ওভারের সময় আগে ব্যাটিং করবেন।
উইকেট: ব্যাটিংয়ে দুই উইকেট পড়ে গেলে সুপার ওভারের ইনিংস শেষ হবে।

ফিল্ডিং: 
মূল ম্যাচের বল শেষ করার পর, সুপার ওভারে ফিল্ডিং পরিবর্তন করতে পারবেন।
ফলাফল: ফল নির্ধারণী সুপার ওভারে যাদের রান অধিক থাকবে তারা জয়ী হবেন।

সুপার ওভারও ‘টাই’ হলে: যদি কোন কারণ বশত সুপার ওভারও টাই হয়, সেক্ষেত্রে যে দল মূল ম্যাচ ও সুপার ওভারে বেশী বাউন্ডারি মারবে তারাই জয়ী হবে। প্রকাশ থাকে, সেখানেও যদি বাউন্ডারি সংখ্যাও সমান হয় তাহলে যে দল সুপার ওভারে বেশি বাউন্ডারি মারবে তারা জয়ী বলে বিবেচিত হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »